শনিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সব

Singapore
Corona Update

Confirmed Recovered Death
58,255 58,158 29

Bangladesh
Corona Update

Confirmed Recovered Death
475,789 393,408 6,807

সিঙ্গাপুরের প্রবাসী কথাশিল্পীর ধারাবাহিক গল্প : প্রেতাত্মার মুক্তি

সাদ্দাম হোসেন শুভ | ২৯ জুলাই ২০২০ | ২:৫৮ অপরাহ্ণ
সিঙ্গাপুরের প্রবাসী কথাশিল্পীর ধারাবাহিক গল্প : প্রেতাত্মার মুক্তি

নির্ঘুম রাতের বিষন্ন মুহূর্তগুলো যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক হয় শুধু সেই জানে যে একটা নির্ঘুম রাত পার করেছে।
আমি মাঝে মাঝে এমন নির্ঘুম বিষণ্ণতায় ভুগি।
মনোবিজ্ঞানীদের বিভিন্ন কলাকৌশল অবলম্বন করেও আমি মস্তিষ্কের নির্ঘুম এই সক্রিয় অবরোধ এড়াতে পারিনা।মাঝে মাঝে নিশ্চুপ গভীর রাতে জড়িয়ে পড়ি প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় নানান উদ্ভট চিন্তায়।আজকেও একটি উদ্ভট চিন্তায় জড়িয়ে পড়েছি।
আজকের উদ্ভট চিন্তার বিষয়টি হল কাকের অসহায়ত্ব।
এই গভীর রাতে কাকের অসহায়ত্ব আমার হৃদয়ের গভীরে স্পর্শ করেছে।
ডাস্টবিন এর উপরে কয়েকটি কাক কিছুক্ষণ ধরে ডাস্টবিনের কাভারটি খোলার চেষ্টা করছে কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আমি জানালার ফাঁক দিয় কিছুক্ষণ ধরে দেখছি।বড় অসহায় অরক্ষিত তাদের জীবন।
সুর কিংবা রূপের বাহার নেই বলে এই প্রাণীটির জন্য কোন মানুষেরই হৃদয়-ই কোমল হয়ে ওঠে না, বরং পরিবেশের পরিছন্নতা বজায়ের নামে উন্নত মানের কাভার সমৃদ্ধ মর্ডান ডাস্টবিন ব্যবহার করে এই প্রাণীটিকে ডাস্টবিনের পচা খাবার থেকেও বঞ্চিত করেছে। শুধু তাই নয় শত শত বছর পূর্ব থেকে মানুষ এই পাখিটিকে বলির পাঠা বানিয়ে আসছে, সেটা বিভিন্ন বিভিন্ন লোককথার গল্প শুনলেই বোঝা যায়।
যেমনঃ বোকা কাক আর শিয়ালের গল্প, কাক আর ময়ূরের গল্প, চড়ুই পাখি এবং কাকের গল্প।
বেশিরভাগ গল্পেই প্রমাণ করা হয়েছে যে কাক সবচেয়ে নির্বোধ পাখি কিন্তু যদিও গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, কাক অন্যান্য পাখিদের চেয়ে বুদ্ধিমত্তায় অনেক বেশি এগিয়ে।
কাকের যদি বুদ্ধিমত্তা থাকে তাহলে কাকের বাহারি রুপও রয়েছে, হয়তো সেটা মানবকুলের কেউ উপলব্ধি করতে পারে না। হয়তো সেটা অন্যান্য প্রানীকূলের কেউ উপলব্ধি করতে পারে না কিন্তু বোধহয় তাদের স্বজাতি মানে, কাককূলের মধ্যে একে অন্যের রূপ উপলব্ধি করতে পারে।
কাকের গুন কিংবা রূপের বাহার সাধারণ মানুষ না বুঝলে কবি সাহিত্যিকদের বুঝার কথা কিন্তু তবুও কেন জানি তেমন কোন কবি সাহিত্যিক কাকের রূপের কিংবা গুণের প্রশংসা করে লেখালেখি করতে এগিয়ে আসেনি।
বাবুই, টিয়ে, ময়না কে নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। লেখালেখির মাঝে এই পাখিগুলোকে ভালো চরিত্রও দেওয়া হয়েছে। কাককে নিয়ে লেখালেখি হয়েছে ঠিকই কিন্তু ভালো কোন ভুমিকায় তাদেরকে রাখা হয়নি। বেশিরভাগ সময় তাদেরকে দেওয়া হয়েছে খল, ভাঁড় কিংবা বোকার চরিত্র।
তাহলে কি কবি-সাহিত্যিকদের মাঝেও বর্ণবৈষম্য রয়েছে?
রয়েছে হয়তো আর তাই বোধ হয় তাদের বেশিরভাগ গল্প উপন্যাস কিংবা নাটকের নায়ক, নায়িকাদের কে সুন্দর বাহ্যিক রূপ দেওয়া হয়।
আর সিনেমাগুলোর কথা বাদ দেওয়াই ভালো, প্রায় সব সিনেমাগুলোতেই প্রধান চরিত্র দখল করে আছে সুন্দর চেহারার মানুষগুলো।শুধু অতি সুন্দর চেহারার মানুষগুলোই হতে পারবে সিনেমার নায়ক কিংবা নায়িকা,অবশ্যক তারা চায়ে ভিন্ন কিছু হলে প্রযোজক কে দেউলিয়া হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে হবে।
অনেক কবি-সাহিত্যিকরা অবশ্যক কালো ছেলেমেয়েদের গুণগান করে গল্প এবং কবিতা লিখেছে।
তাদেরকে অনুকরণ করে বোধ হয় এই যুগের সুশীল থেকে শুরু করে অশীল পর্যন্ত সবাই কালো মেয়েদের গুনো গান গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃষ্ণবর্ণের মেয়েদেরকে নিয়ে গাওয়া গুনগান আর প্রশংসা ঝড় দেখলে মনে হয় বাঙালি আর যাই হোক অন্তত বর্ণবাদী নয়।
কিন্তু তবুও এদেশে হাজার হাজার চরিত্রবান কালো মেয়েরা বিয়ের বয়স পেরিয়ে এখনো অধীর আগ্রহে তাদের জীবন জীবনসঙ্গীর অপেক্ষা করছে ।
কালো মেয়েরা বর খুঁজে না পেলেও,অনেক রূপবতীরা-ই মেতে উঠেছে বার্ষিক বর পরিবর্তনের খেলায়।
শুধু রূপেই বোধহয় সব সময় বিদ্যুৎ তৈরি হয়, তাই হয়তো সরকারও রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রায় সব রূপবতী মেয়েদের শরীরেই রূপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। সেইরূপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক শকে, তাদের বরকে কুপোকাত করে দেনমোহর গ্রহণ করে তারা তাড়িয়ে দেয়।
রূপের চাদরে ঢাকা পড়ে তাদের অতীত। নতুন কোন পুরুষ আবার তাদের রূপের নেশায় মাতাল হয়।
মাতালদের জন্য বোধহয় বৈদ্যুতিক শক-ই উচিত শিক্ষা।
আবার বিবাহ আইন লংঘন করে ১৮বছরের পূর্বেই বাল্যবিবাহ হচ্ছে সুন্দরী অনেক মেয়েদেরই।
যে কয়েকজন রূপবতী ১৮ এর গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ ভার্সিটি পর্যন্ত পৌঁছেছে তাদের অনেকেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার পিছনে ঝাকে ঝাকে ইঁদুর গুরানোর মতোই এরা ঝাকে ঝাকে তরুণ ঘুরাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় আর মানুষের বাস্তব রুচি এখনো এক হয়নি। মানুষ সাধু সেজেছে এখনো হয়নি, কারণ সাধু হওয়ার চেয়ে সাধু সাজা অনেক সহজ।
শুধু তাই নয় দুর্জন বিদ্বান মানুষগুলো আয়ত্ত করেছে সাধু সাজার নিত্যনতুন কলাকৌশল।
সাধারণ মানুষ যদি সাধু চেনার নিত্যনতুন কলা কৌশল আয়ও করতে না পারে তবে তাদের কঠিন ভোগান্তির শিকার হতে হবে।
যাইহোক আমার উদ্ভট চিন্তাভাবনা বোধহয় শিরা থেকে উপশিরায় ছড়িয়ে পড়েছে।। ফিরে আসি কাকের গল্পে।
যেহেতু কাকদের গুনগান গেয়ে তেমন কোনো কবিতা, গল্প কিংবা গান গাওয়া হয়নি তাই আমি ভাবলাম এই কদাচিৎ পাখি কাকদের কে নিয়ে আমি একটি কবিতা লিখবো কবিতার নাম হবে “বলির পাঠা”
কবিতার বিষয়বস্তু সাথে নামটা কেমন যেন একটু বেখাপ্পা লাগছে। পাখির কবিতা পশুর নামে খুব গড়বড়ে মনে হচ্ছে।অবশ্যক গড়বড়ে হবারই কথা যেহেতু আমি লিখছি।
অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও কবিতা লিখতে পারলাম না। কবিতা আসছে না। যে কয়েকটি লাইন আসছে সেগুলো খুবই এলোমেলো আর তাছাড়া কবিতার লাইনগুলো কাকের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা দিতে পারছে না।
পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা না দিতে পারলে একটা অসহায় সম্মানিত প্রাণীকে নিয়ে কবিতা না লেখাই ভালো।
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য দীর্ঘায়ু ফেলে হয়তো কাকদের নিয়ে কবিতা লিখতেন। যেহেতু তিনি ক্ষুধার্ত মানুষকে নিয়ে লিখেছেন সেহেতু অবশ্যই তিনি ক্ষুধার্ত পশু পাখিদেরকে নিয়েও লিখতেন।
যাইহোক আমি কাকের কবিতা লেখার হাল ছেড়ে উঠে দাঁড়ালাম। কাকদেরকে নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবার পাঠক কাউয়া কবি উপাধিতে ভূষিত করতে পারে।নামের আগে এমন একটি তকমা লাগিয়ে দিলে ভবিষ্যৎ জীবনে অনেক লাঞ্ছনা পোহাতে হবে, যেহেতু এখনো অবিবাহিত।
মানুষ তো আর ঠাট্টা করার সময় কারণ জেনে ঠাট্টা করবে না।তাছাড়া কারণ জেনে কখনো ঠাট্টা হয়না।
ছাদের রুপালি আলোতে আজ পুরো পৃথিবীটা ঝিকমিক করছে। মনে হচ্ছে যেন চাঁদের রূপালী আলোর সমুদ্রে ডুবে আছে পুরো পৃথিবী।জোনাকিরা মাতাল হয়ে রূপালী চাঁদের আলো গায়ে মেখে নিত্য করছে।
তবে জোনাকির আলো তেমন একটা উপলব্ধি করা যাচ্ছে না। ছাদের রূপালী আলোর কাছে বোধহয় জোনাকিদের আলো হার মেনেছে।
পাশের গহীন অরণ্যের শতবর্ষী বৃক্ষগুলো ডালপালা এদিক-ওদিক ডুলাচ্ছে।
তারমানে বাহিরের হিমেল বাতাসও বইছে।প্রকৃতি বোধ হয় রুপালি চাঁদের আলোকে পরিপূর্ণ রূপ দিতেই এমন হিমেল বাতাসের আয়োজন করেছে।এমন রুপালি চাঁদের আলো, এমন হিমেল বাতাস যদি খোলা আকাশের নিচে গিয়ে উপলব্ধি করা যেত তাহলে বোধ হয় এই নির্ঘুম রাতের এই বিষন্নতা পুষিয়ে যেত।
প্রকৃতির এই মনোরম দৃশ্য কোয়ার্টারের ছাদে গিয়ে উপভোগ করতে পারলে বেশ ভালো লাগত, কিন্তু কয়েকটি দুর্ঘটনা কে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষ ছাদে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।
ইচ্ছে করলে যাওয়া যাবে তবে, লুকিয়ে লুকিয়ে যেতে হবে। লুকিয়ে সুন্দরী রমণীর রূপ দেখা আনন্দের হলেও, লুকিয়ে প্রকৃতি দেখা আনন্দের নয়, প্রকৃতি দেখতে হয় মুক্তমনে।
এই নির্ঘুম, নিঃসঙ্গ রাতে সুজিত দাকে বড় বেশি প্রয়োজন ছিল। সুজিতদা ছিল আমার নির্ঘুম রাতের একমাত্র সঙ্গী।বয়সের অনেক ব্যবধান থাকলেও সুজিত দা’র সাথে বলা হয়েছে আমার মনের সকল না বলা কথা। হয়তো তার সকল মনের কথা ও আমাকে বলা হয়েছে শুধু শেষ কথাটা ছাড়া।
গভীর রাতে তার গাঢ় ঘুম ভাঙ্গিয়ে যদি তাকে বোকার মত প্রশ্ন করতাম, দাদা কি ঘুমিয়ে পড়েছো? জবাবে সুজিত দা বলতো, না ঘুম আসছে না অনেকক্ষণ ধরে ঘুমানোর চেষ্টা করছি। চল ছাদে গিয়ে আড্ডা দেই।
এমন অভিনয়টা করতো মনে হতো সে যেন আমার সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্যই অপেক্ষা করছে, যদিও সে গভীর ঘুমে মগ্ন ছিল।
কয়েক মাস আগের একটি ঘটনা রিয়ার সাথে আমার ঝগড়া চলছিল।প্রায় দুই সপ্তাহ যাবৎ কথাবার্তা বন্ধ।
হঠাৎ একদিন রিয়ার বান্ধবী আমাকে ফোন করে জানালো রিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই নাকি সে আমাকে ফোন দিয়েছে।
আমি নির্বাক পাথরের মূর্তির মতো কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। কোয়াটার এর সবাই ধীরে ধীরে ঘটনাটি জানতে পারল। যেহেতু অনেক আগে থেকেই সবাই আমার আর রিয়ার সম্পর্কের কথা জানতো।
যাদের সাথে সম্পর্ক ভালো তারা সবাই একে একে আমাকে সান্ত্বনা দিতে আসলো। দুঃখ করে লাভ নেই যা হবার তা হয়ে গেছে, তুই তার চেয়ে কোন অংশে কম কিসের, তুই তার চেয়ে ভালো কাউকে পাবে,নসিবে না থাকলে তো কিছু করার নাই বন্ধু, এমন সব সান্তনার বানী সবার কাছ থেকে শুনছি।কিছুক্ষণ পরে সুজিত দা এসে আমাকে ছাদে নিয়ে গেল তখন প্রায় রাত ১২টা।
তার হাতের ব্যাগ থেকে একটা লাল পানীয়-এর বোতল বের করে আমাকে বলল “মনের আগুন মুখের কথায় নেবে না আগুনে পানি ঢালতে হয়, লাল পানি”।
যেহেতু সুজিত দা বয়সে আমার চেয়ে অনেক বড়।তাছাড়া বড় ভাইয়ের মত, তাই তার কাছে ভদ্র নম্র ছোটভাই সাজার জন্য আমি এমন ভাব করলাম যে, মনে হচ্ছে যেন এই জিনিসটাকে আমি জীবনে প্রথম দেখেছি।
যদিও এই বস্তুটির সাথে আমি অনেক আগ থেকেই পরিচিত যেহেতু আমি একটা মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে আছি।
সেদিন অবশ্যক সাময়িক সময়ের জন্য হলেও আমার মনের আগুন কিছুটা নিভে ছিল।
সেটা লাল পানীয়ের জন্য নাকি তার মত একজন সঙ্গীর জন্য সেটা জানা নেই।
এসব ভাবতে ভাবতেই আমি দরজার পাশের সুজিত দা’র বেডের দিকে তাকিয়ে হকচকিয়ে উঠলাম। এইতো কিছুদিন আগে কাঁথা মুড়িয়ে গরগরে নাকের শব্দ করে সে এই বেডটিতে ঘুমিয়ে ছিল।
সে-ই কিনা আর কখনোই কাঁথা মুড়িয়ে ঘুমাবে না এই বিছানায়। সে-ই কিনা আর কখনোই ফিরবে না এই সংসারে।
সেই জলজ্যান্ত মানুষটি আত্মহত্যা করে আজ পোড়া কয়লা হয়ে মিশে আছে চিতার মাটির সাথে।
কি অদ্ভুত এই জন্ম মৃত্যু রহস্য।
সুজিত দা’র আত্মহত্যার পর থেকেই কয়েকটি ভৌতিক ঘটনার গুজব সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভূত ভীতির কারণে রাত দশটার পরে এখন আর তেমন কাউকে রুমের বাইরে দেখা যায় না।
গভীর রাতে নাকি সুজিতদার প্রেতাত্মা কোয়ার্টারের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। অনেকে নাকি গভীর রাতে সুজিত দার কথা বলার শব্দ শুনেছে, অনেকে সুজিত দার হাসির শব্দ শুনেছে, কেউ আবার কান্নার শব্দ শুনেছে। শফিক মন্ডল নাকি ছাদে সুজিত দার বাশির সুর শুনছিল।
আর সেই বাঁশির সুর কাছ থেকে শুনতে গিয়ে নাকি শফিক মন্ডল কোয়াটারের এর ছাদ থেকে পড়ে মরেছে।
আমি অবশ্য ভূত, প্রেতাত্মায় বিশ্বাস করিনা।
আমি পা বাড়িয়ে দরজার বাইরে এসে দাঁড়ালাম হঠাৎ রুম থেকে খুব ছেনা একটি অদ্ভুত শব্দ আমার কানে ভেসে আসলো।
এটা তো নাক ডাকার শব্দ! সুজিতদার নাক ডাকার শব্দ!!
চলবে…

Facebook Comments

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১