clock ,

সিঙ্গাপুরে অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক

সিঙ্গাপুরে অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক

গত ২৬ জুলাই সিঙ্গাপুরের ব্যস্ততম একটি সড়কে হঠাৎ তৈরি হওয়া মিটার (১০ ফুট) গভীর সিঙ্কহোলে একটি কালো রঙের মাযদা গাড়ি পড়ে যায়, কাছাকাছি নির্মাণস্থলে কর্মরত একদল শ্রমিক তাদের কর্মস্থল থেকে একটি দড়ি এনে তা সিঙ্কহোলে ফেলেন গাড়ির চালকের উদ্দেশে। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তারা তাকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম হন।


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই নির্মাণ শ্রমিকদের ফোরম্যান সুপ্পিয়াহ পিচাই উদাইয়াপ্পান দেরি না করে একটি দড়ি নিয়ে এগিয়ে যান। গর্তের ভেতর ছুঁড়ে দেন দড়িটি। কোনোমতে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন নারী চালক। পরে, ওই দড়ি ধরে টেনে তাঁকে ওপরে তোলা হয়। পরে উদাইয়াপ্পান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয়েছিল, যেকোনো মূল্যে তাকে বাঁচাতে হবে।এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল তদের সেই দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান। অনেকেই তাদেরহিরোআখ্যা দিচ্ছেন। উদ্ধারকারী সাত ভারতীয় অভিবাসী শ্রমিককে ব্যক্তিগতভাবে ইস্তানা প্যালেস ওপেন হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলে প্রসিডেন্ট থারমান শানমুগারত্নম।

সিঙ্গাপুরেঅভিবাসী শ্রমিকহিসেবে পরিচিত উদাইয়াপ্পান তার সহকর্মীরা ওই ১১. লাখ বিদেশি শ্রমিকদেরই একটি অংশ যারা বাংলাদেশ, ভারত মিয়ানমারের মতো নিম্ন আয়ের দেশ থেকে এসে এখানে কাজ করতে এসেছেন। সিঙ্গাপুরের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির পেছনে যে শক্তি কাজ করছে, তার বড় একটি অংশই এই অভিবাসী শ্রমিকরা যারা দেশটির মোট বিদেশি শ্রমশক্তির প্রায় তিন চতুর্থাংশ জুড়ে রয়েছেন। এদের অধিকাংশই কাজ করেন নির্মাণ, জাহাজ কারখানা উৎপাদন শিল্পের মতো কঠিন শ্রমনির্ভর সেক্টর এবং যেসব কাজগুলোতে স্থানীয়দের আগ্রহ কম।

সিঙ্গাপুরে এটাই প্রথম নয়, যখন অভিবাসী শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কারও প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে একটি অগ্নিকাণ্ডের সময় দোকানঘরে আটকে পড়া শিশুদের উদ্ধারে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে এসেছিলেন চারজন অভিবাসী শ্রমিক। এই সাম্প্রতিক ঘটনা আবারও সামনে এনেছে দীর্ঘদিনের বিতর্ক সিঙ্গাপুরে স্বল্প মজুরির অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, কিংবা আদৌ তারা ন্যায্য মর্যাদা পাচ্ছেন কি না।

সিঙ্গাপুরে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারিত নেই। অনেকেই মাসে মাত্র ৩০০ সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ২৩৩ মার্কিন ডলার) আয় করেন। তারা সাধারণত আবাসিক এলাকা থেকে দূরে, ঘিঞ্জি ডরমিটরিতে থাকেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, অনেক সময়ই তাদের নিয়োগকারী সংস্থা বা মালিকদের দ্বারা শোষণ নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ওভারটাইম মজুরি ছাড়াই অতিরিক্ত কাজ, মজুরি না পাওয়া এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হওয়ার মতো শোষণের শিকার হন তারা। এই সমস্যাগুলো বহু বছর ধরে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় থাকলেও, মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, পরিস্থিতি খুব বেশি বদলায়নি। সিঙ্কহোলের সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ‘Workers Make Possible’ এর সদস্য সুরেন্দ্র কুমার ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আজ আপনারা তাদের বীর হিসেবে সম্মান জানাচ্ছেন। কিন্তু আগামীকাল আবার তাদেরইপ্রতারক, মিথ্যাবাদী নোংরাবলে সাধারণীকরণ করবেন।

২০২০ সালের কোভিড মহামারির সময় এই শ্রমিকদের দুর্দশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ডরমিটরিগুলো ভাইরাস সংক্রমণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল এবং প্রতিদিন শত শত শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। সেই সময় তাদের জীবনযাত্রা নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়, যার ফলস্বরূপ বাধ্য হয়ে ডরমিটরির মান উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপ নেয় কর্তৃপক্ষ।

সিঙ্কহোলের ঘটনাটি শ্রমিকদের আরেকটি গুরুতর সমস্যার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, সেটি হলো ফ্ল্যাট-বেড ট্রাকে (বাংলাদেশের লেগুনার মতো) করে তাদের কর্মস্থলে পরিবহন। সুরেন্দ্র কুমার এই পরিস্থিতিকেকরুণ বাস্তবতাহিসেবে বর্ণনা করে বলেন, যেসব শ্রমিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন সিঙ্গাপুরিয় নারীকে উদ্ধার করেছেন, সম্ভবত তারা লরিতে করেই যাতায়াত করেন। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী, জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ছাড়া সাধারণ মানুষের ট্রাকে করে যাতায়াত নিষিদ্ধ। তবে, যদি শ্রমিকেরা ওই ট্রাকের মালিকের কর্মচারী হন, তাহলে এই নিয়ম শিথিল। কিন্তু এই পরিবহন ব্যবস্থার ফলে বহু দুর্ঘটনা ঘটে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, একসঙ্গে প্রায় ১০-১২ জন শ্রমিক নিরাপত্তা বেল্ট ছাড়াই ফ্ল্যাটবেড ট্রাকের পেছনে একসাথে যাতায়াত করেন। এটি নিয়োগকারীদের জন্য সাশ্রয়ী এবং তারা একই ট্রাকে মালপত্রও বহন করে থাকেন। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহনের কারণে বহু দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কিছু ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে, একটি লরি স্টেশনারি ফ্ল্যাটবেড ট্রাকে ধাক্কা দিলে দুই বিদেশি শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে এবং এক ডজনেরও বেশি শ্রমিক আহত হন। ২০২৪ সালে, একই ধরনের দুর্ঘটনায় অন্তত চার শ্রমিক নিহত হন এবং ৪০০-এর বেশি আহত হয়। মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের পরিবহন ব্যবস্থা নিষিদ্ধ করার দাবিতে আওয়াজ তুলছেন। বিষয়টি সংসদে বারবার আলোচনায় এসেছে তবুও আশানুরূপ কোনো পরিবর্তন হয়নি।  সিঙ্গাপুর সরকার বারবার বলে আসছে, তারা কোম্পানিগুলোকে বাসে করে শ্রমিক পরিবহনের জন্য উৎসাহিত করছে। কিন্তু ছোট ব্যবসার জন্য এই ধরনের ট্রাক নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয়। একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী গত ফেব্রুয়ারি মাসে পার্লামেন্টে বলেন, ‘বাসে শ্রমিক পরিবহনে বাধ্য করলে অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে দেশি বিদেশি উভয় ধরনের শ্রমিকই কাজ হারাবে। এতে আবাসন, স্কুল, হাসপাতাল এবং ট্রেন লাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো বিলম্বিত হবে এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের জন্য খরচও বাড়বে।শ্রমিকদের অধিকারকে কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার এই দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ওই সময় সরকার ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। অধিকারকর্মীরা উল্লেখ করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো যেসব দেশ অভিবাসী শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল, তারাও ট্রাকে করে মানুষ পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে। সুরেন্দ্র কুমার বলেন, সরকার বিদেশি শ্রমিকদের নিকট থেকে যে কর বা লেভি সংগ্রহ করে, তা ব্যবহার করে শ্রমিকদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, এতে ব্যবসা ভোক্তাদের উপর বাড়তি খরচ আরোপ করা হবে না। মানবাধিকার সংস্থাহিউম্যানিটেরিয়ান অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন ইকোনমিকসেরসিনিয়র গবেষক জয়া অনিল কুমার বলেন, সরকারের এই ধরনের যুক্তিই অভিবাসী শ্রমিকদের জীবন জীবিকার ওপর নিয়োগকর্তাদের অন্যায্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উৎস। শ্রমিকদের সুরক্ষায় ট্রাকে পরিবহন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি আরও কিছু পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, যেমন যথাযথ মজুরি, হুইসেলব্লোয়ার (গোপন তথ্য ফাঁসকারী) সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবাতে ভর্তুকি। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে কাজ করেও এই শ্রমিকেরা স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পান না, কারণ বিদেশি পেশাজীবী কর্মকর্তাদের চেয়ে তাদের কর্মসংস্থান ভিসা ভিন্ন। সুপ্পিয়াহ উদাইয়াপ্পান ২২ বছর ধরে সিঙ্গাপুরে কাজ করছেন, তারও স্থায়ীভাবে বসবাসের কোনো সুযোগ নেই। ছাড়া ওয়ার্ক পাস ভিসাধারীদের সিঙ্গাপুরিয়দের বিয়ে করার জন্যও সরকারের অনুমতি নিতে হয় এটিও অধিকার কর্মীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ। অনিল কুমার বলেন, ‘খুব ধীর গতিতে আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, কারণ কার্যকর পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সদিচ্ছা নেই।

সিঙ্কহোল উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণকারী সাতজন শ্রমিককেঅ্যাপ্রেসিয়েশন কয়েনদিয়ে সম্মানিত করার পদক্ষেপকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেইটোকেনিজমবলে সমালোচনা করেছেন। সুরেন্দ্র কুমার বলেন, তাদের বীরত্বের জন্য যত ধন্যবাদই দেওয়া হোক না কেন, তা সেই শোষণমূলক অর্থনৈতিক মডেলকে ন্যায্যতা দিতে পারে না, যা প্রতিদিন তাদের দমিয়ে রেখে সিঙ্গাপুরে আমাদের জীবনধারা টিকিয়ে রাখে।

অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন যে এই শ্রমিকদের আরও বেশি স্বীকৃতি প্রাপ্য। কেউ কেউ তাদের আর্থিক পুরস্কার এবং এমনকি স্থায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। সিঙ্গাপুরের জনশক্তি মন্ত্রণালয় বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অভিবাসী শ্রমিকদের আরও নানাভাবে সম্মান জানানোর জন্য পাওয়া ফিডব্যাকে আমরা উৎসাহিত। এই শ্রমিকদের প্রতিদিনকার সাহস সহমর্মিতার কাজগুলো আমাদের কমিউনিটির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব আচরণকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং উদযাপন করা উচিত।তবে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবের বিষয়ে তারা সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি।

অভিবাসী অধিকার বিষয়ক সংগঠনইটস রেইনিং রেইনকোটসউদ্ধারকারী শ্রমিকের জন্য নিজস্ব উদ্যোগে ৭২ হাজার ডলার সংগ্রহ করেছে। এই অর্থ সমানভাবে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন বাংলার কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মহসিন। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘এই শ্রমিকেরা প্রায়শই নিজেদের জীবন বিপন্ন করে অনেক সিঙ্গাপুরিকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। তারা সংবাদমাধ্যমে প্রশংসিত হন এবং মানবিক কাজের চমৎকার উদাহরণ হিসেবে পরিচিতি পান, কিন্তু কর্মস্থলে, পরিবহনে এবং বাসস্থানে তাদের মানবাধিকার প্রতিনিয়ত কম-বেশি লঙ্ঘিত হচ্ছে। তবে গত কয়েক বছরে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে সচেতনতা আলোচনার পরিমাণ বেড়েছে, যা কিছুটা হলেও ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভিবাসী শ্রমিকদের সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে সরকার বিভিন্ন অধিকার সংগঠন নানানরকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির লক্ষ্য শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয়দের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা। বাংলার কণ্ঠ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে শ্রমিকরা কবিতা লেখেন, গান করেন, নাচে অংশ নেন। স্থানীয় সিঙ্গাপুরিয়রাও তাদের লেখা গল্প, কবিতা অনুবাদ প্রকাশে সহায়তা করছেন এবং দর্শক হিসেবে এসব পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছে, উপস্থিত থেকে পরামর্শ দিচ্ছেন। যেগুলো ইতিবাচক মানসিকতার পরিচায়ক।

মানবাধিকার কর্মীদের মতে, অধিকাংশ সিঙ্গাপুরিয় অভিবাসী শ্রমিকদের নিজেদের তুলনায় ভিন্ন এবং নিম্ন শ্রেণির মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে। তাদের অনেকেই বসবাস কাজ করছেন শিল্পাঞ্চলে, যা শহরের আবাসিক এলাকা থেকে অনেক দূরে। এর ফলে স্থানীয় সমাজের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মেলামেশার সুযোগ তাদের জন্য সীমিত থেকে যাচ্ছে। ২০০৮ সালে সিঙ্গাপুরের অভিজাত এলাকা সেরাঙ্গুন গার্ডেনসে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি ডরমিটরি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রায় ,৪০০ স্থানীয় বাসিন্দা এর বিরোধিতা করে একটি পিটিশন জমা দেন। তাদের আপত্তি প্রশমিত করতে কর্তৃপক্ষ ডরমিটরির আকার ছোট করে এবং শ্রমিকদের জন্য একটি পৃথক প্রবেশপথ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ট্রানজিয়েন্ট ওয়ার্কার্স কাউন্ট টু এর সহসভাপতি অ্যালেক্স আউ নির্দ্বিধায় বলেন, আমরা মূলত তাদের ভিন্ন শ্রেণির মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা ধরেই নিই, তারা কেবল আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য এখানে এসেছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, যেন তারা আমাদের চাকর, আর চাকরের কাজ হলো প্রভুর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য সাড়া দেওয়া।

You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?

আমাদের অনুসরণ করুন

জনপ্রিয় বিভাগ

সাম্প্রতিক মন্তব্য