clock ,

প্রশাসনের বিরুদ্ধে মাহমুদ খলিলের ২০ মিলিয়ন ডলারের মামলা

প্রশাসনের বিরুদ্ধে মাহমুদ খলিলের ২০ মিলিয়ন ডলারের মামলা

গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ায় গ্রেফতার হয়রানির শিকার হওয়া ফিলিস্তিনি অভিবাসী মাহমুদ খলিল (৩০) যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ২০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ফেডারেল কোর্টে মামলা করেছেন।

১০ জুলাই দায়ের করা মামলায় ট্রাম্প ছাড়াও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) স্টেট ডিপার্টমেন্টকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বেআইনি গ্রেফতার, মানসিক হয়রানি এবং সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার হরণের অভিযোগে।

খলিল নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটানে নিজ বাসার সামনে থেকে গত মার্চ সন্ধ্যায় গ্রেফতার হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডধারী এবং কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। অভিযোগ, তিনি গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার সূত্রপাত হয়েছিল তার নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে এবং তা পরে ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

গ্রেফতারের পর খলিলকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়াও শুরু করেছিল প্রশাসন। তবে আইনি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় ট্রাম্প প্রশাসন।

খলিলের আইনজীবীরা বলছেন, এই মামলার মাধ্যমে প্রমাণ হবেক্ষমতার অপব্যবহার করে কেউ পার পেয়ে যাবে না। তাদের মতে, খলিলের প্রতি যা করা হয়েছে, তা কেবল একজন ব্যক্তির নয়যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধ বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত।

মামলার প্রেক্ষিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মুখপাত্র ত্রিসিয়া ম্যাকলোলিন দাবি করেন, খলিলের কর্মসূচির কারণে ইহুদি শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়েছিল। তবে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভাষ্য, তারা কেবল প্রচলিত আইন অনুযায়ী কাজ করেছেআইন লঙ্ঘন করেনি।

গণমাধ্যমে খলিল বলেন, “এটি শুধু আমার কথা নয়। আমি চাইএই দেশে আর কাউকে যেন বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা না হয়। ট্রাম্প প্রশাসন যা করছে, তা সমাজে ভয়ভীতি ছড়িয়ে দিচ্ছে। এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

মামলাকে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তৃত্ববাদী বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

 

You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?

আমাদের অনুসরণ করুন

জনপ্রিয় বিভাগ

সাম্প্রতিক মন্তব্য