রাজধানীর মগবাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে সৌদি প্রবাসী মনির হোসেন, তাঁর স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ উঠেছে মনিরের কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।
হত্যা মামলার বাদী মনিরের বড় ভাই, ইতালি প্রবাসী নুরুল আমিন মানিক এজাহারে উল্লেখ করেন, জমি ও বাড়ির ভাড়ার টাকা নিয়ে মনির ও রফিকুলের মধ্যে বিরোধ ছিল। রফিকুল একই গ্রামের হলেও থাকেন ঢাকার কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে, যেখানে মনিরের দুটি বাড়ির দেখভাল করতেন তিনি।
এজাহারে বলা হয়, ঈদের আগে দেশে ফেরা মনিরকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হোটেলে ডেকে নেয়া হয় এবং তাকে, তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার স্বপ্না ও ছেলে নাঈম হোসেনকে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করা হয়।
তবে গতকাল আদালতে রফিকুল দাবি করেন, মনিরের সঙ্গে তাঁর জমি বা অর্থনৈতিক কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি বলেন, “ভর্তা-ভাত, মুরগির রেজালা, আলু ভর্তা, শুঁটকি ভর্তা হোটেল থেকে কিনে দিয়েছিলাম। মনিরের স্ত্রী শুঁটকি খেতে পছন্দ করতেন।” তিনি আরও বলেন, “আমি আর মনির হোটেলেই নান, শিককাবাব ও ফালুদা খেয়েছি।”
রমনা থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন বলেন, “ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় রফিকুলের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।” শুনানির সময় মহানগর হাকিম মাহবুব আলম বলেন, “এটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একটি পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।” শেষ পর্যন্ত বিচারক দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?