clock ,

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানো: লবিস্ট নিয়োগ ও দরকষাকষির পরামর্শ রপ্তানিকারকদের

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানো: লবিস্ট নিয়োগ ও দরকষাকষির পরামর্শ রপ্তানিকারকদের

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্কহার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার ঘোষণায় উদ্বিগ্ন দেশের রপ্তানিকারকরা। তারা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তাই সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছেযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত জোরালোভাবে আলোচনা শুরু করা হোক এবং প্রয়োজনে লবিস্ট নিয়োগ দেওয়া হোক।

এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন জানান, বুধবার নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। তিনি বলেন, "বৈঠকে কী হয়, তা দেখার পর বোঝা যাবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে। তবে আমরা সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধ করেছি।"

তৈরি পোশাক খাতের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, রপ্তানিকারকরা শুরু থেকেই সরকারকে সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে বলেছে। প্রধান উপদেষ্টা . মুহাম্মদ ইউনূসকে আলোচনায় সম্পৃক্ত করার অনুরোধও জানানো হয়েছে। বুধবারই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে লবিস্ট নিয়োগ সরাসরি হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানানো হবে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)–এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে এহসান শামীম বলেন, "ভয়ের কিছু নেই। সব নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের চীন ভারতের প্রতি অবস্থানের ওপর। চীনকে যদি শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করে এবং ভারতকে ছাড় না দেয়, তাহলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে।"

তিনি আরও বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর ওপরও ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক বসায়, তবে বাংলাদেশ বিকল্প উৎস হিসেবে লাভবান হতে পারে। ভিয়েতনামের উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অতিরিক্ত ক্রয়াদেশ বাংলাদেশে স্থানান্তর হতে পারে।

বিকেএমইএর পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি পরামর্শ, মার্কিন প্রশাসনের চীন-ভারত নীতির দিকে নজর রাখতে হবে এবং একযোগে কৌশলগত দরকষাকষিও চালিয়ে যেতে হবে।

 

You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?

আমাদের অনুসরণ করুন

জনপ্রিয় বিভাগ

সাম্প্রতিক মন্তব্য