সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মঞ্চে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগের দিন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ট্রাম্প বলেছিলেন, তারা ওই ভূখণ্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে না এবং ডেনমার্কের অধীনে থাকা অঞ্চলটি দখল করার চেষ্টা করবে না। তিনি একই সঙ্গে জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ওপর যে ট্যারিফ আরোপ করা হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হবে।
কিন্তু বৃহস্পতিবার (সাক্ষাৎকারে) ট্রাম্পের ভাষায় এসেছে নতুন মোড়। তিনি দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বিশদ চুক্তি করার বিষয়ে এখনও আলোচনা চলছে এবং এর জন্য কোনো সময়সীমা নেই। ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “এটা নিয়ে এখন সত্যিই বিস্তারিত আলোচনা চলছে। এর কোনও সময়সীমা নেই।”
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর দাবির কারণে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়েছে এবং তার ঘোষণা পরই স্টক মার্কেটের উত্থান দেখা গেছে। তবে এই চুক্তির জন্য তারা কোনো অর্থ প্রদানের পরিকল্পনা করেনি।
একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যদি তারা মার্কিন স্টক ও বন্ড বিক্রি করতে চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রতিশোধ’ নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাদের কাছে সব ধরনের ‘কার্ড’ আছে।
গত বছর দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বলেন। সম্প্রতি তিনি আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেন, যা পরে প্রত্যাহার করেন। এবার তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কিত ‘গোল্ডেন ডোম’ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং এর জন্য তাদের শুধুমাত্র ‘গোল্ডেন ডোম’ তৈরির খরচ ছাড়া অন্য কোনো ব্যয় নেই। ট্রাম্প দাবি করেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডে সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার দেবে, যার মধ্যে সামরিক উপস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?