নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাঁচ তরুণ অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছেন। ভারত হয়ে গ্রিস পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দালালরা তাদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আদায় করে। ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও পরিবার তাদের কোনো খবর পাচ্ছে না। বিদেশে থাকা দালালদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।মারুফ, জোবায়ের, মরজালের কাউসার, তারেক ও শিপন লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। তাদের স্বজনদের দাবি, ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর শেষবার দালালের মাধ্যমে সমুদ্র পথে গ্রিসে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। এরপর থেকে কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
রায়পুরার পলাশতলীর মারুফের ঘরে এখন তার বাবা আবদুল মালেক দেখাশোনা করছেন কবুতর ও গাভী। স্বপ্ন ছিল লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাত্রার মাধ্যমে নতুন জীবন শুরু করার। মা আনোয়ারা বেগম বলেন, “আমি বলেছিলাম, তুই যাস না। তবে সে বললো, না, আমি যামু। অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি, কোনো খবর পাইনি।”
অন্য নিখোঁজ তরুণ তারেক মিয়ার মা জামিনা খাতুন জানান, “একটা গোডাউনের ভেতর রেখে আসছে। আমার ছেলে নেই, আমি দেখতেছি, কীভাবে বাঁচবে।” তিনি ঋণ দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন।
দালালরা লিবিয়া, গ্রিস ও ইতালি থেকে পরিবারের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ রক্ষা করলেও নিখোঁজদের সঠিক অবস্থান জানাচ্ছে না। লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দেশটিতে আটক ব্যক্তিদের খোঁজ নেওয়া সম্ভব হলেও সব জেলাতেই পরিচয় যাচাই করা যায় না।
You Must be Registered Or Logged in To Comment লগ ইন করুন?