বৃহস্পতিবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সব

Singapore
Corona Update

Confirmed Recovered Death
59,879 59,746 29

Bangladesh
Corona Update

Confirmed Recovered Death
543,717 492,059 8,356

আইএমএফের বিশেষ প্রতিবেদন

রফতানি-রেমিটেন্সে বিপর্যয় বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ

অনলাইন সংস্করণ - বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক: | ২৫ মে ২০২০ | ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
রফতানি-রেমিটেন্সে বিপর্যয় বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স খাতেই সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতির এ দুটি বড় ভিত্তিই এখন দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত ১৫ মে প্রকাশিত চলমান করোনায় বিশ্বের সার্বিক অর্থনীতি পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) এক বিশেষ প্রতিবেদনে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে কারণে সদস্য দেশগুলোর সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলায় গৃহীত কার্যক্রম, সামনের দিনগুলোতে কি ধরনের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে অর্থনীতিতে এবং এগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা যায়-এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত ও বিশ্লেষণ উঠে এসেছে আইএমএফের প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত দুটি বড় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বিকশিত হচ্ছে।

এর একটি হল প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এবং অন্যটি তৈরি পোশাক রফতানি। করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনীতির এ দুটি ভিত্তিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতিতে।

সূত্র জানায়, করোনার প্রভাবে ইতোমধ্যে রফতানি আয় ও রেমিটেন্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। রফতানির প্রায় সব খাতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রফতানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৯৫০ কোটি ডলারের। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। আর একই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ কম। এপ্রিলে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে মাত্র ৫২ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, করোনার প্রভাবে এখন পর্যন্ত ৩১৮ কোটি ডলারের রফতানির অর্ডার বাতিল করেছেন ক্রেতারা। এর ফলে ১ হাজার ১৫০টি কারখানার ২২ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এদিকে রেমিটেন্স প্রবাহও কমে গেছে। এপ্রিলে রেমিটেন্স এসেছে ১০৮ কোটি ডলার। আগের বছরের এপ্রিলের চেয়ে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম। বিদেশে বাংলাদেশের প্রায় ৯৪ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এর মধ্যে ৬ লাখ শ্রমিক ইতোমধ্যে দেশে এসেছেন। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে যারা আছেন তাদেরও কাজ নেই। ফলে রেমিটেন্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া করোনার প্রভাবে ইতোমধ্যে অর্থনীতির সব খাতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এসব মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।

এগুলোতে অভ্যন্তরীণ খাতকে সচল রাখা সম্ভব হলেও বৈদেশিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। কেননা,বৈদেশিক খাতের ওপর বাংলাদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বৈদেশিক খাত সচল না হলে বাংলাদেশের এককভাবে সচল হয়ে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১