বুধবার, ১৮ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সব

Singapore
Corona Update

Confirmed Recovered Death
59,879 59,746 29

Bangladesh
Corona Update

Confirmed Recovered Death
543,717 492,059 8,356

ইসি গঠন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে ২০২২ সাল সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

নিউজ ডেস্ক | ০৬ জানুয়ারি ২০২২ | ১:৩১ অপরাহ্ণ
ইসি গঠন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে ২০২২ সাল সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

টানা ১৩ বছরে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের মধ্যে গত তিন বছর রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলনামূলক কম ছিল। মহামারি সামলাতেই দুই বছর কেটে গেছে সরকারের। তবে মহামারির আঘাত দুর্নীতির গতি রোধ করতে পারেনি। বাংলাদেশের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে বিশেষজ্ঞরা সবার আগে চিহ্নিত করেন দুর্নীতিকে।

সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে ২০টি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। প্রতিশ্রুতির প্রথম কাতারে আছে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ’। টিআইবির দুর্নীতির ধারণাসূচকের তথ্য অনুযায়ী সরকার ক্ষমতা গ্রহণকালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল পেছনের দিক থেকে ১৪তম। ২০২০ সালে সেই অবস্থান দুই ধাপ অবনতি হয়ে ১২তম স্থানে নেমেছে।

অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন গঠন, নির্বাচনকালীন সরকার ও আগামী নির্বাচন নিয়ে ২০২২ সাল সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের বছর হিসাবে সামনে এসেছে। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করেছিল।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আমি মনে করি বিগত বছরগুলোতে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যে অগ্রগতি হয়েছে, সেগুলো স্মরণ রাখার মতো। কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্যেই এই পুরো সময়টা আমরা কাটাতে পেরেছি। কিন্তু একটা সমস্যা হয়েছে। এক শ্রেণির অসৎ রাজনীতিবিদ, আমলা, ব্যবসায়ী যোগসাজশে তারা দুর্নীতি করছে এবং অন্যায়ভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। আওয়ামী লীগ তাদের ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিংসতা নীতি ঘোষণা করেছে। ফলে এগুলোর বিষয়ে তাদের কঠোরভাবে নজর দেওয়ার আছে।

গত তিনটি সরকারের মধ্যে বর্তমান মন্ত্রিসভার চ্যালেঞ্জ তুলনামূলক বেশি। আগের দুই মন্ত্রিসভায় জোট-মহাজোটের অভিজ্ঞ ও দলের সিনিয়র নেতাদের অনেকে মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমান মন্ত্রিসভা শুধু আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে গঠিত। এতে দলের অনেক নতুন মুখ স্থান পেয়েছেন। বাদ পড়েছেন জাতীয় পার্টি ও চৌদ্দদলীয় জোটের নেতারা। সার্বিক দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী তার নেতৃত্বের দক্ষতায় গেল তিন বছর সরকার সামলেছেন।

মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া নতুন মুখদের মধ্যে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণে তেমন চমক দেখাতে পারেননি কেউ। তেরো বছর আগে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পর্যায়ক্রমে সুনির্র্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করেছে। এরই মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে ভিশন-২০২১ পর্ব পার হয়েছে। সামনে আছে ২০৩০ সালের এসডিজি এবং ২০৪১ সালের উন্নত দেশের চ্যালেঞ্জ।

২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী আছেন ৪৯ জন। গত তিন বছরের মন্ত্রিসভার একজন সদস্য বাদ পড়েছেন, যোগ হয়েছেন দুই সদস্য। পদোন্নতি পেয়ে প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হয়েছেন একজন। নতুনদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বর্তমান মন্ত্রিসভা নিয়ে প্রথম থেকেই দল এবং প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনা ছিল। প্রতি বছর মন্ত্রিসভার বর্ষপূর্তির সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের বিভিন্ন গুঞ্জন ওঠে।

কিন্তু গত তিন বছরে মন্ত্রিসভায় বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই চলছেন সরকারপ্রধান। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা অনেকেই বলছেন। কিন্তু গত দুই মন্ত্রিসভায় দেখা গেছে, খুব বড় কোনো অঘটন না ঘটালে মন্ত্রিসভা থেকে কাউকেই বাদ দেননি শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান যুগান্তরকে বলেন, গত তিন বছরের মধ্যে বেশির ভাগ সময়ই করোনার সংক্রমণে সারা বিশ্ব একটা অস্থির সময় পার করেছে। বিশ্বের বড় বড় দেশও এটা মোকাবিলায় হিমশিম খেয়েছে। সে তুলনায় আমরা কোভিড-১৯ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছি। এই সময়ে ঝড়ঝঞ্ঝা, বন্যাও আমরা সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছি। এর সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের আরেকটি সফলতা করোনার টিকা। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের জিডিপি সাড়ে ছয় বা সাতে ধরে রেখেছি। সার্বিকভাবে আমরা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে সাহসীকতা ও সফলতার সঙ্গে তিন বছর পার করেছি।

সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা : বিশ্বমঞ্চে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন। গত ২৪ নভেম্বর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে প্রাথমিক স্বীকৃতি দিয়েছে। এই সাফল্যের চূড়ান্ত স্বীকৃতি মিলবে ২০২৪ সালে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সামলাতে অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ও সমালোচনা ছিল। কিন্তু টিকা ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। প্রথম দিকে বাংলাদেশের কাতারে থাকা দেশগুলো যেখানে টিকা পেতেই হিমশিম খেয়েছে সেখানে অনেক আগেই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছিল সরকার।

বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমলেও সমসাময়িক অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো। করোনার প্রথম বছর সোয়া লাখ কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ছিল। দ্বিতীয় বছর এই প্রণোদনা ছিল প্রায় পৌনে এক লাখ কোটি টাকা। প্রণোদনার টাকা নিয়ে ব্যবসায়ীদের অনিয়মের বিভিন্ন সমালোচনা থাকলেও সরকারের উদ্যোগ ছিল সময়োচিত। এ ছাড়া করোনায় কর্মহীন মানুষদের মোবাইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা প্রদান, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে নিুমধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছানোর কাজগুলো ছিল উল্লেখযোগ্য।

এবারের মন্ত্রিসভায় একাধিক মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার পরও অনেক ক্ষেত্রে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে সরকারকে। চাল ব্যবসায়ে অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীকে খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দিলেও প্রায় বছরব্যাপী চালের দাম নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে সরকারকে। অন্য দিকে পেঁয়াজের বাড়তি দাম নিয়ে প্রতি মৌসুমেই সমালোচনা সঙ্গী হচ্ছে। সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে এবারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বানালেও করোনার প্রথম বছরে সমালোচনায় কোণঠাসা ছিলেন। দ্বিতীয় বছরে এসে সমালোচনা কম হলেও স্বাস্থ্য খাতের ক্ষত সারানোর বড় উদ্যোগ নেই।

এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির অভিযোগে নিয়োগ বাতিল করার বিষয়টি সরকারকে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় ফেলেছে। মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী একাধিকবার রাজাকার তালিকা প্রকাশের কথা উল্লেখ করলেও এবারও সেটা হয়নি। জমিসংক্রান্ত কার্যক্রমের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারির উদ্যোগ এই খাতে বড়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তবে জ্বালানি খাত থেকে সম্প্রতি বছরগুলোতে বিপুল পরিমাণ লাভ এলেও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ত্বরিত সিদ্ধান্ত সরকারের অনেক অর্জনকেই ম্লান করেছে।

গত তিন বছরে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে র‌্যাব ও র‌্যাবের ছয় বর্তমান এবং সাবেক কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে। বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই নিষেধাজ্ঞার বড় প্রভাব আগামী দিনে পড়বে বলে সতর্ক করা হচ্ছে। এদিক থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘বিচারবহির্ভূত হত্যার’ অভিযোগে সরকারকে সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে।

অন্য দিকে প্রশাসনের পদ না থাকার পরও উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত দফায় দফায় পদোন্নতি অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে একই ব্যাচের একাধিকবার পদোন্নতির কারণে প্রশাসনের কয়েকটি ব্যাচের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে বৈষম্যের অভিযোগও তুলছেন। অন্য দিকে করোনা সহায়তার কাজে মাঠ প্রশাসন প্রশংসা কুড়িয়েছে। কিন্তু এসব কার্যক্রমে প্রথম দিকে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত না করার অভিযোগ ছিল। স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের বর্তমান সরকার অন্যতম দুটি মাহেন্দ্রক্ষণ পেয়েছে।

অর্থাৎ মুজিবশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে পেরেছে এই সরকার। অন্য দিকে শুরু হওয়া নতুন বছরে মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল ও পদ্মা সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল শুরুর কৃতিত্ব হাতছানি দিচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন গঠন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে এই বছরটি সরকারের জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়েছে।

তিন বছরের মন্ত্রিসভা : টানা তৃতীয়বারের সরকারে অনেক নতুন মুখ নিয়ে যাত্রা শুরু করেন শেখ হাসিনা। প্রথম পাঁচ মাসের মধ্যে তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বের সীমারেখা টানেন সরকারপ্রধান। ২০১৯ সালের মে মাসে দুজন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব কমিয়ে দিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বদল করা হয়েছিল। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী করা হয়।

অন্য দিকে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যকে দেওয়া হয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের দায়িত্ব। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে শুধু ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পান। একই প্রজ্ঞাপনে ওই সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ডা. মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এরপর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে মন্ত্রিসভা কিছুটা সম্প্রসারণ হয়। এতে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া ইমরান আহমদকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ হিসাবে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান আওয়ামী লীগের ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

২০২০ সালের শুরুর দিকে অর্থাৎ মন্ত্রিসভা গঠনের এক বছরের মাথায় মন্ত্রিসভায় ব্যাপক পরিবর্তনের সম্ভাবনার আলোচিত বিষয় ছিল। কিন্তু সেরকম সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে তিন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের খবর দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। অন্য দিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খানকে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০২১ সালের মাঝামাঝি মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের বিভিন্ন আলোচনা দল এবং প্রশাসনে ছিল। কিন্তু জুলাই মাসে একমাত্র সদস্য হিসাবে মন্ত্রিসভায় স্থান পান সাবেক অধ্যাপক ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। তিনি পরিকল্পনা কমিশনে প্রায় একযুগ দায়িত্ব পালনকালে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। সরকারি চাকরিতে তার মেয়াদ একাধিকবার বাড়ানোর পর মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসাবে স্থান করে নিয়েছেন ড. শামসুল আলম।

গত তিন বছরে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের কাজ নিয়ে বিভিন্ন রকম সমালোচনা থাকলেও শুধু কথার কারণে সমালোচনার তুঙ্গে ওঠেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। বর্তমান মন্ত্রিসভার শুরুতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন সরকারপ্রধান। আগের মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দিলেও সেই বার্তা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হন মুরাদ হাসান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে থাকার সময় মিডিয়া কভারেজ না পাওয়ায় তার অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো তেমন প্রকাশ হয়নি। তথ্য মন্ত্রণালয়ে মিডিয়া কভারেজ পাওয়ার সুবাদে ক্রমেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন মুরাদ। প্রথমে আলোচনায় এসেছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে। এরপর তারেক রহমানের মেয়ে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও নায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে টেলিফোন রেকর্ড দেশজুড়ে তোলপাড় হয়। এক পর্যায়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় ডা. মুরাদকে।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১